আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: যদিও এ বিষয়টি এখনো অফিশিয়ালভাবে সত্যায়িত করা হয়নি, কিন্তু প্রচারিত খবরসমূহ এ বিষয়টির প্রমাণ করছে যে, মিসরের জনগণের সরকার বিরোধী বিদ্রোহ এদেশের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার পলায়নের কারণ হয়েছে।
মিসরের ফার্স্ট লেডি ‘সুসান মোবারকে’র পলায়নের বিষয়টি যদিও এখনো সত্যায়িত করা হয় নি, কিন্তু লন্ডনের হিথ্রু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা তাকে সনাক্ত করেছে।
এদিকে মিসরের রাজধানী কায়রো হতে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হোসনি মোবারকের পুত্র ‘জামাল মোবারক’ তার স্ত্রী ও সন্তানসহ পলায়ন করেছে। তবে তিনি কোন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে মিসর ত্যাগ করেছেন তা অজ্ঞাত।
মিসরের আজীবন প্রেসিডেন্টের পুত্র ‘জামাল মোবারক’ তার পিতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার প্রথম দাবীদার হিসেবে বিবেচিত। সে মিসর ত্যাগ করার সময় ৯৭টি ব্যাগ এবং ৩৬টি কার্টুন নিজের সঙ্গে নিয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ক সংবাদ বর্তমানে ফেইসবুক, টুইটারসহ অন্যান্য সামাজিক ওয়েব সাইটসমূহে ব্যাপভাবে আদান প্রদান চলছে। ফলশ্রুতিতে মিসরের জনগণকে করেছে অধিক ক্ষুব্ধ। যারা বর্তমানে তিউনিশিয়ার বিপ্লবের অনুকরণে ‘হোসনি মোবারকে’র বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে নেমেছে।
এমতাবস্থায় বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, মিসর ন্যাশনাল পার্টির চেয়ারম্যান ‘আহমাদ ইজ্জ’ও পলায়ন করেছেন।
এ সূত্র আরো জানিয়েছে: ‘আহমাদ ইজ্জ’ ব্যক্তিগত বিমানে চড়ে অজ্ঞাত স্থানের উদ্দেশ্যে মিসর ত্যাগ করেছেন। কিন্তু অসত্যায়িত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ‘জামাল মোবারক’, তার স্ত্রী ও কন্যা এবং ‘আহমাদ ইজ্জ’ সকলেই লন্ডনের উদ্দেশ্যে পলায়ন করেছে।
বলাবাহুল্য, তিউনিশিয়ার গণবিপ্লব এদেশের ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট ‘বিন আলী’ ও তার পরিবারের পলায়নের মাধ্যমে বিজয় লাভ করে।#